মাত্র ১ ঘন্টার মধ্যে নিজের একটি ওয়েবসাইট তৈরি করার সহজ সরল টিউটোরিয়াল।

Epic Cyber Monday Savings – up to 98% Off!

আপনি যদি আপনার নিজস্ব ওয়েবসাইট তৈরি করার পরিকল্পনা করে থাকেন কিন্তু কিভাবে শুরু করবেন সে সম্পর্কে পরিপূর্ণ ধারনা না থাকে, তবে আপনি সঠিক জায়গায় এসেছেন। ধাপে ধাপে পুরো টিউটোরিয়াল টি পড়ুন এবং সেভাবেই নিজের ওয়েবসাইটটি তৈরি করুন।

এই লেখাটিতে আমার মূল লক্ষ্য হল যে কেউ, সে স্টুডেন্ট বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিক, ব্লগার বা অন্য যে কেউ যে চায় নিজের ওয়েবসাইট নিজে তৈরি করতে, তাদের জন্য একটি সহজ টিউটোরিয়াল তৈরি করা। এই টিউটোরিয়ালে আমি আপনাকে দেখাতে চাই যে কোনও কোডিং জ্ঞান ছাড়াই এবং কোন ওয়েব ডেভেলপারের পিছনে না ঘুরে বা টাকা ব্যয় না করে কিভাবে একটি দুর্দান্ত চেহারার এবং কার্যকারী ওয়েবসাইট তৈরি করবেন এবং ওয়েবসাইট থেকে টাকা আয় করবেন

কিভাবে ব্লগ/ওয়েব সাইট তৈরি করবেন

 

আপনার নিজস্ব ওয়েবসাইট তৈরির জন্য প্রয়োজন মাত্র ৪ টি পদক্ষেপ! তাই চলুন এখনই শুরু করা যাক !

১। আপনার সাইটটি কোন প্ল্যাটফর্মে তৈরি করতে চান তা নির্বাচন করুন। আমি আপনাকে পরামর্শ দেবো ওয়ার্ডপ্রেস নির্বাচন করার।

২। আপনার সাইটের জন্য একটি ডোমেইন নেম নির্বাচন করুন যাতে মানুষ আপনার ওয়েবসাইট খুঁজে পায়। ডোমেইন নেম যেন আকর্ষণীয় এবং আপনার ব্যবসা বা নির্বাচিত প্রসঙ্গ বা নিচ এর প্রাসঙ্গিক হয়।

৩। সাইটের জন্য ওয়েব হোস্টিং বা ওয়েবে জায়গা ভাড়া নিতে হবে। সে ক্ষেত্রে আপনি ফ্রি হোস্টিং সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান বা সাইট থেকে ফ্রি হোস্টিং সেবা নিতে পারেন অথবা নামী কোন হোস্টিং সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান থেকেও হোস্টিং কিনে নিতে পারেন।

৪। এরপর আপনার ওয়েবসাইট সেট আপ করে নিন, তারপর একটি থিম নির্বাচন করে সাইটটি কাস্টমাইজ করুন যেন এটা দেখতে সুন্দর লাগে এবং দেখতে প্রফেশনাল লাগে !



প্রথম ধাপ

 

কোন প্লাটফর্মে আপনার সাইট টি তৈরি করতে চান তা নির্বাচন করুন।

প্রথম যে কাজটি আপনাকে করতে হবে তা হল আপনার ওয়েবসাইটটি কোন ওয়েবসাইট প্ল্যাটফর্মে তৈরি করতে চান তা ঠিক করা। এখন বেশিরভাগ মানুষ ওয়েব প্ল্যাটফর্ম বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পছন্দ করে বিভিন্ন সিএমএস (কনটেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম)। আপনি যদি যে কোন সিএমএস প্ল্যাটফর্মে আপনার সাইট টি তৈরি করেন তাহলে আপনার কাজ অনেকটা সহজ হয়ে যাবে।

আসলে ওয়েবসাইট তৈরি করা কোন রকেট বিজ্ঞান না যে এটা বুঝা খুব কঠিন বা যে কেউ এটা বুঝবে না। আপনার যদি কম্পিউটার বা কোডিং সম্পর্কে অল্প পরিমান ধারণাও থাকে তবুও আপনি নিজেই নিজের ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারবেন। তবে এক্ষেত্রে সঠিক ওয়েবসাইট প্ল্যাটফর্ম পছন্দ করা সবথেকে ইম্পরট্যান্ট।

কিছু প্ল্যাটফর্মের জন্য আপনাকে HTML / CSS বা অন্যান্য কোডিং ভাষার কিছুটা জানতে হবে, তাই ওয়েবসাইট তৈরি করার জন্য নিজ কম্পিউটার জ্ঞান কে প্রাধান্য দিন। আপনি যদি একজন শিক্ষানবিস হন বা ওয়েবসাইট তৈরি সম্পর্কে এডভান্স লেভেলের ধারণা না থাকে তবে আমি বলব আপনি অবশ্যই ওয়ার্ডপ্রেস পছন্দ করবেন।

নীচের ইন্টারেক্টিভ ডায়াগ্রামে দেখুন ২০১৭ সালে বিশ্বব্যাপী ওয়েবসাইট তৈরি তে ব্যবহৃত এমন সবচেয়ে জনপ্রিয় ওয়েবসাইট বিল্ডিং প্ল্যাটফর্মগুলি দেখানো হয়েছে। ওয়ার্ডপ্রেস, ড্রুপাল এবং জুমলা এই প্ল্যাটফর্মগুলির মাঝে প্রতিযোগিতার অনেক এগিয়ে ওয়ার্ডপ্রেস। তার মানে এখন ওয়েবসাইট তৈরিতে ওয়ার্ডপ্রেস এর প্রাধান্য ই বেশি। আর কেন তা নিচে ব্যাখ্যা করছি।

কিভাবে ব্লগ/ওয়েব সাইট তৈরি করবেন

 

আসলে ওয়ার্ডপ্রেসের এই জনপ্রিয়তার পিছে বেশ কয়েকটি কারণ গুরুত্বপূর্ণ যার মাঝে উল্লেখযোগ্য হলঃ

১) ইউজার ফ্রেন্ডলি

ওয়ার্ডপ্রেস প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করা খুব সহজ। আপনি যদি Word বা Excel এর মত মাইক্রোসফ্ট অফিস প্রোগ্রামগুলি সম্পর্কে ভাল ধারণা থাকে তবে আপনি নিজেই নিজের ওয়েবসাইট তৈরি এবং আপনার সাইটে কনটেন্ট পাবলিশ সহ সবই করতে পারবেন ।

ওয়ার্ডপ্রেসের আরেকটি দুর্দান্ত সুবিধা হল হাজার হাজার প্লাগিনের সাথে সহজে কাস্টমাইজ করা যায়, যার দ্বারা আপনি সাইট টি যেভাবে চান সাজাতে পারবেন। ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে আপনি ছোট্ট পার্সোনাল ব্লগ সাইট থেকে শত শত পণ্য বিক্রি করার একটি বড় ই-কমার্স সাইট, যা চান তাই তৈরি করতে পারবেন।

২) শক্তিশালী

ওয়ার্ডপ্রেস অত্যন্ত শক্তিশালী এবং ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে প্রায় সব ধরনের সাইট চালানো যায়। এটি বিশ্বের অনেক বড় বড় ব্যস্ততম ওয়েবসাইটগুলির জন্য একটি বিশ্বস্ত প্ল্যাটফর্ম। এটা সব ধরনের ওয়েবসাইট হ্যান্ডেল করতে পারে।

৩) রেস্পন্সিভ এবং মোবাইল ফ্রেন্ডলি

এখন অধিকাংশ মানুষ তাদের ফোন এবং অন্যান্য মোবাইল ডিভাইস দিয়ে ইন্টারনেট ব্যবহার করে, তাই ডিজিটাল চাহিদা অনুযায়ী মোবাইল ফ্রেন্ডলি এমন একটি সাইট থাকা সত্যিই গুরুত্বপূর্ণ। ওয়ার্ডপ্রেস এর বেশিরভাগ থিম মোবাইল ফ্রেন্ডলি হওয়ায় ওয়ার্ডপ্রেসের জনপ্রিয়তা বেড়েই চলেছে।

৪) খরচ নিয়ে চিন্তা নাই

আপনি ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করতে পারবেন ১ টাকাও খরচ না করে কারণ এটা বিনামূল্যে পাওয়া যায়। আপনাকে যা করতে হবে তা হল আপনার ডোমেইন এবং হোস্টিং কিনুন এবং তারপরে শুধু ১ ক্লিকে ওয়ার্ডপ্রেস ইন্সটল করে নিন।

৫) আপনাকে সাহায্য করার জন্য প্রচুর মানুষ বসে আছে।

যখন ওয়ার্ডপ্রেস সাইট নিয়ে কাজ করতে গিয়ে কোন সাহায্যের প্রয়োজন হবে তখন আপনি আপনার আসে পাসে হাজার হাজার ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপার পাবেন, যারা আপনাকে আপনার ওয়ার্ডপ্রেস সাইটের যে কোন সমস্যার সমাধান দেবে।

এছাড়া আপনি যে কোন সমস্যার জন্য ইউটিউব বা গুগলে সার্চ করে সল্যুশন পেতে পারেন। আর প্রয়োজনে প্ল্যানেট বাংলা তো আপনার পাসে আছেই। যে কোন সমস্যা কমেন্ট বক্সে লিখুন। আমরা সমাধান দেয়ার চেস্টা করবো।

____________________________________________________________________________________________________________________________

 

দ্বিতীয় এবং তৃতীয় ধাপ

আপনার ওয়েব সাইটের জন্য একটি নাম দরকার এবং সাইটটি রাখার জন্য ওয়েবে জায়গা দরকার

তার মানে আপনার এখন প্রয়োজন ডোমেইন নেম এবং হোস্টিং

এক্ষেত্রে আপনি চিন্তা করে দেখুন যে আপনি ফ্রি ওয়েবসাইট তৈরি করতে চান নাকি কিছু টাকা খরচ করে একটি প্রফেশনাল ওয়েবসাইট তৈরি করতে চান? আপনি যদি ফ্রি ওয়েবসাইট বানাতে চান তাহলে ওয়ার্ডপ্রেস আপনাকে দিবে ফ্রি ডোমেইন নেম এবং ফ্রি হোস্টিং সুবিধা। আপনি ১ টাকাও না খরচ করে আপনার ফ্রি ওয়েবসাইট টি তৈরি করতে পারবেন।

তবে ফ্রি ডোমেইন এবং ফ্রি হোস্টিং মানে আপনি ওয়ার্ডপ্রেসের একটা সাব ডোমেইন পাবেন। মানে এই সাইটের নামের শেষে  wordpress.com থাকবে। যেমন yoursite.wordpress.com , একাহ্নে প্রথমে আপনার ওয়েবসাইটের নাম থাকবে। তবে এই নামের শেষে ওয়ার্ডপ্রেস থাকায় কেউ এটাকে প্রফেশনাল মনে করবে না। সাথে ওয়ার্ডপ্রেসের যে ফ্রি হোস্টিং সেটা হয় খুবই স্লো। তাই আপনি কাজ করেও ঠিক থাক মজা পাবেন না। আবার এই সাইট দিয়ে গুগলে রাঙ্কিং করে ও খুব কঠিন। তাই আমার পরামর্শ হবে ফ্রি ডোমেইন হোস্টিং এর চিন্তা বাদ দিয়ে কিছু টাকা খরচ করে একটা ডোমেইন নেম কিনে আর একটি হোস্টিং প্যাকেজ নিয়ে শুরু করুন আপনার নিজের ওয়েবসাইট


ওয়েব হোস্টিং এবং ডোমেইন নেম কিনতে খরচ কেমন

আসলে যারা ব্লগিং বা নিজের নতুন ওয়েবসাইট তৈরি করতে চান তাদের সবার প্রথম এবং প্রধান জিজ্ঞাসাই থাকে ভাই ব্লগ সাইট বা ওয়েবসাইট খুলবো কিন্তু আমার মাসিক বা বাৎসরিক খরচ কেমন হবে? আর কোথা থেকে ডোমেইন কিনব আর কোন হস্টিং সাইট থেকে হোস্টিং নিব? তাদের জন্য বলছি আপনি অবশ্যই চেস্টা করবেন কোন ভাল হোস্টিং সাইট থেকে ডোমেইন হোস্টিং কেনার । আপনার বা আপনার পরিচিত কারও যদি ক্রেডিট কার্ড বা পেপ্যাল থাকে তবে অবশ্যই ইন্টারন্যাশনাল কোন হস্টিং প্রভাইডার থেকে ডোমেইন হোস্টিং কিনতে। তা যদি না থাকে তবে লোকাল কোন হোস্টিং প্রভাইডার থেকে ডোমেইন হোস্টিং কিনে নিবেন। তবে ডোমেইন হোস্টিং কেনার ক্ষেত্রে কি কি বিষয়খেয়াল করবেন তার জন্য এই লিঙ্কে লেখাটি পরে আসুন।

তবে আমি আপনাকে পরামর্শ দেব NAMECHEAP, BLUEHOST, HOSTINGER, INMOTION, INTERSERVER , Hostgatar, JUSTHOST DreamHost HostWinds এই হোস্টিং প্রভাইডার সাইট গুলো থেকে আপনার পছন্দের হোস্টিং প্যাকেজ কিনে নিন।

তবে আপনাকে আমি এর মাঝ থেকে নেমচিপ ইনমোশন বা ব্লুহোস্ট থেকে আপনি ডোমেইন হস্টিং প্যাকেজ কিনে আপনার সাইট শুরু করুন।

সাধারণত ডোমেইন কেনার জন্য ১ ডলার থেকে ১০ ডলার খরচ হয় আর হোস্টিং এর জন্য মাসিক ৩ থেকে ৮ ডলার খরচ হয়। আর আপনি যদি লোকাল হোস্টিং প্রভাইডার দের থেকে হোস্টিং প্যাকেজ কেনেন তনে বাৎসরিক ৩ হাজার টাকা থেকে ৬ হাজার টাকা খরচ হবে।

আপনি যদি www.bluehost.com থেকে হোস্টিং প্যাকেজ নিতে চান  তাহলে এই লিঙ্কে গিয়ে get started now ক্লিক করে শুরু করুন। হোস্টিং এর সাথে ফ্রি ডোমেইন নেম পেতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন

bluehost প্লাস প্ল্যানের সাথে আপনি যা পাবেন:

  • একটি ফ্রি ডোমেইন নেম (১৫ ডলার মূল্যের)
  • দ্রুত, উচ্চ মানের এবং নির্ভরযোগ্য ওয়েব হোস্টিং
  • ফ্রি সাইট বিল্ডার
  • এক ক্লিকে ওয়ার্ডপ্রেস ইনস্টল এবং 24/7 কাস্টমার সাপোর্ট।
  • Unmetered ওয়েবসাইট স্পেস
  • Unmetered ব্যান্ডউইথ
  • আনলিমিটেড ইমেইল অ্যাকাউন্ট
  • Unmetered ইমেল স্টোরেজ
  • আপনার অ্যাকাউন্টে আনলিমিটেড ওয়েবসাইট হোস্ট করার সুবিধা

আসলে আপনি নিজের ব্লগ সাইট তইতি করেন বা পার্সোনাল ওয়েবসাইট তৈরি করেন অথাবা ব্যবসায়িক ওয়েবসাইট তৈরি করেন, যা ই করেন না কেন আপনার একটি ডোমেইন নেম এবং হোস্টিং লাগবে। তাই আপনি যদি bluehost থেকে হোস্টিং কেনেন তাহলে আপনি ফ্রি ডোমেইন এর সাথে আনলিমিটেড ইমেইল আকাউন্ট পাবেন আপনার ওয়েবসাইটের সাথে। ফলে আপনি অনেক গুলো ইমেইল আকাউন্ট ও ব্যবহার করতে পারবেন। আর ইমেইল আকাউন্ট গুলো হবে এমন [email protected]

 

যদি আমার ডোমেইন হোস্টিং আগেই নেয়া থাকে ?

 

তাহলে তো আপনি একধাপ এগিয়ে আছে । আপনি সরাসরি ৩য় ধাপে চলে যান যেখানে আমী পর্যায়ক্রমে দেখিয়েছি কিভাবে আপনার ডোমেইন হোস্টিং সেটআপ করবেন এবং আপনার ওয়েবসাইট চালু করবেন।

 

আমি কেমন ডোমেইন নেম পছন্দ করবো?

আপনার নিজের ওয়েবসাইট তৈরির সব গুলো ধাপের ভিতর অন্যতম কঠিন এবং ঝামেলার কাজটা হল ওয়েবসাইটের জন্য উপযুক্ত একটা নাম খুজে পাওয়া।আসলে যত সুন্দর এবং ভাল ভাল মিনিংফুল নাম থাকে তার প্রায় সবি কেউ না কেউ কিনে ফেলেছে। তাই আপনাকে সময় নিয়ে নিজের কাজের বা ব্যবসার বা নীচের সাথে সামজস্য রেখে ডোমেইন নেম নির্বাচন করতে হবে।

 

প্রথমত এই ৩ টি বিষয় খেয়াল রাখবেন

  • ছোট হবে
  • সহজে মনে থাকে এমন
  • ইউনিক হবে

আপনার কাঙ্ক্ষিত ডোমেইন নেম আভাইলেবল আছে কিনা তা এখান থেকে চেক করে নিন

ডোমেইন নেম পছন্দ করার জন্য নিম্নোক্ত গাইড টি ফলো করুন

এখানে আপনার ডোমেইন নেম পছন্দ করার ক্ষেত্রে কিছু টিপস দিচ্ছি যা অনুসরণ করে আপনি আপনার কাঙ্ক্ষিত ডোমেইন খুজে পেতে পারেন।

১) খুজে বের করুন আপনার ওয়েবসাইটের টার্গেট করা প্রধান ১০ টা কিওয়ার্ড

প্রথমে আপনার ওয়েবসাইটের প্রধান ১০ টা কিওয়ার্ড খুজে বের করুন বা আপনি যে নিচ নিয়ে কাজ করতে চান তারসাথে মিল রেখে ১০ টা কিওয়ার্ড খুজে বের করুন। তারপর এই কিওয়ার্ড গুলো একটার সাথে অন্যটা জড়ায়ে সামনে পিছে নিয়ে কিওয়ার্ডের আগে পরে উপসর্গ / প্রত্যয় যোগ করে নিজের মত করে একটা ডোমেইন নেম নির্বাচন করুন। সাথে সাথে উক্ত নাম টি এখন ফাকা আছে কিনা সেটা ও চেক করে নিন নেমচিপ এর এই লিংক থেকে

২) একটি ইউনিক / অনন্য নাম পছন্দ করুন

ডোমেইন নেম পছন্দ করার সময় মাথায় রাখবেন নাম টা যেন অন্য সাইটের সাথে কনফ্লিক্ট না করে। এমন সাইট নেম কিনবেন না যার সাথে অন্য সাইটের মিল থাকে বা মাঝে কোন হাইফেন থাকে অথবা অন্য ওয়েবসাইটের নামের সাথে মানুষ মিলায়ে গুলায়ে না ফেলায়। না হলে আপনার সব ভিজিটর ওই সাইটে চলে যাবে

৩) ডট কম অথবা লোকাল টপ লেভেল ডোমেইন নাম নির্বাচন করুন

এখন ইন্টারনেটে ওয়েবসাইটের এক্সটেনশন এর কোন শেষ নাই। ডট এইটা ডোট ওইটা কত কি। কিন্তু আপনি যদি সত্যি ইন্টারনেটে আপনার একটা ব্রান্ড স্টাব্লিশ করতে চান এবং আপনার টার্গেট ভিজিটর যদি হয় সারা পৃথিবীতে তাহলে অবশ্যই আপনাকে ডট কম (.com) ডট নেট (.net) ডট ওআরজি (.org) সহ নাম নিবেন অথবা লোকাল টপ লেভেল ডোমেইন নাম নির্বাচন করবেন যেমন বাংলাদেশে হলে ডট কম ডট বিডি (.com.bd) ইন্ডিয়া তে হলে ডট ইন (.in) ।

৪) সহজে মনে রাখা বা খুজে পেতে সহজ হয় এমন

ম্যাক্সিমাম সময় মানুষ গুগলে আপনার সাইটটি সার্চ করবে বা তাদের ব্রাউজারে আপনার সাইটের নাম লিখে সার্চ দেবে। তাই সহজে মনে থাকে বা খুজে পেতে সহজ হয় এমন একটা নাম পছন্দ করা খুব গুরুত্বপূর্ণ । আপনার সাইটের নাম যদি উচ্চারন করতে গিয়ে মানুসের দাঁত ভেঙ্গে যায় বা লিখতে গিয়ে এস লিখবে না সি লিখবে সেখানে কনফিউসান থাকে তাহলে আপনি আপনার ভিসিটর হারাবেন শুধু মাত্র ভুল নাম নির্বাচন করার কারনে।  আর সহজে মনে রাখা বা উচ্চারনে সহজ হলে মানুষ খুজে ও পাবে সহজে আবার সার্চ ইঞ্জিনও সহজে রাঙ্ক করাবে।

৫) ছোট ডোমেইন নেম খুজুন

আসলে আলেক্সা রাঙ্কিং এ প্রথম ১০০ ওয়েবসাইটের সবগুলোই ডোমেইন ১০ বা তার নিচের অক্ষরের। ছোট ডোমেইন নেম হলে SERPs এর ক্ষেত্রে ভাল দেখায় আবার অফলাইন মার্কেটিং এর জন্যও ভাল।

৬) নামের কপিরাইট চেক করে নিন

আপনি হয়তো দেখে শুনে বুঝে অনেক ঘাটাঘাটি করে এমন একটি নাম পছন্দ করলেন জেটা কোন একটা কোম্পানি বা ব্যাক্তি কপিরাইট করে রেখেছে। তাই কোন নাম পছন্দ হলে এই লিংক copyright.gov থেকে কপিরাইট চেক করে দেখতে ভুলবেন না।

৭) হাইপেন এবং নাম্বারকে না বলুন

চেস্টা করবেন হাইপেন এবং নাম্বার সহ কোন ডোমেইন নেম না নেয়ার। কারণ ওয়েবসাইটের নামের ক্ষেত্রে হাইপেন এবং নাম্বার মনে রখা খুব কঠিন। এবং লিখতে গিয়েও মানুষ ১ এর জায়গায় ওয়ান লিখে ফেলতে পারে।

আশা করি এই বুলেটপয়েন্ট গুলোর দিকে খেয়াল রেখে আপনি আপনার কাঙ্ক্ষিত ডোমেইন নেম খুজে বের করতে পারবেন এবং এর সাথে মনের মত একটি হোস্টিং নিয়ে শুরু করবেন আপনার ওয়েবে পথচলা।

 

দ্বিতীয় পর্ব আসছে – চোখ রাখুন প্ল্যানেট বাংলায়

 



 

আরও পড়ুন

অনলাইনে আয় করার সেরা ২১ টি উপায় [১ম পর্ব]- ফ্রিল্যান্সিং এ ক্যারিয়ার

অনলাইনে আয় করার নির্ভরযোগ্য ২১ টি উপায় [২য় পর্ব]